ঢাকা    শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
পর্যন্ত নিউজ

সব বাধা অতিক্রম করে চলতি বছরই দেশে ফিরব - শেখ হাসিনা



সব বাধা অতিক্রম করে চলতি বছরই দেশে ফিরব - শেখ হাসিনা
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চলতি বছরের মধ্যেই দেশে ফেরার ঘোষণা দিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে অনুপস্থিতিতে দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায়কে তিনি ‘অবৈধ, অসাংবিধানিক ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে দাবি করেছেন।

ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বলেন, ‘সব বাধা ও সব ষড়যন্ত্র অতিক্রম করে আমি এ বছরই আমার দেশে ফিরব।’ ২০২৪ সালে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর এই প্রথম তিনি দেশে ফেরার সম্ভাব্য সময়সীমা প্রকাশ করলেন।

গত নভেম্বরে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান চলাকালে সহিংসতা উসকে দেওয়া, হত্যাকাণ্ডে প্ররোচনা এবং নৃশংসতা প্রতিরোধে ব্যর্থতার অভিযোগে ঢাকার একটি আদালত অনুপস্থিতিতে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন। তবে শেখ হাসিনা এ রায় প্রত্যাখ্যান করে বলেন, বিচারব্যবস্থাকে রাজনৈতিক প্রতিশোধের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে এবং এর লক্ষ্য আওয়ামী লীগের নেতৃত্বকে নিশ্চিহ্ন করা।

তিনি বলেন, মৃত্যুকে তিনি ভয় পান না। অতীতেও তার দলকে দুর্বল করার নানা চেষ্টা হয়েছে, কিন্তু কোনো প্রচেষ্টাই সফল হয়নি।

শেখ হাসিনার ভাষ্য, তার দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত ব্যক্তিগত ক্ষমতায় ফেরার আকাঙ্ক্ষা থেকে নয়; বরং জনগণের রাজনৈতিক অধিকার, গণতন্ত্র, আইনের শাসন এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে।

একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের মাটি ও মানুষের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত একটি রাজনৈতিক শক্তি। তিনি সরকারের প্রতি দলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো প্রত্যাহার, রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি এবং শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

অন্যদিকে বর্তমান সরকার বলছে, শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে চলমান আইনি প্রক্রিয়া জবাবদিহি নিশ্চিত করার অংশ এবং এসব কার্যক্রম আইন অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

পর্যন্ত নিউজ

শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬


সব বাধা অতিক্রম করে চলতি বছরই দেশে ফিরব - শেখ হাসিনা

প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুন ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চলতি বছরের মধ্যেই দেশে ফেরার ঘোষণা দিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে অনুপস্থিতিতে দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায়কে তিনি ‘অবৈধ, অসাংবিধানিক ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে দাবি করেছেন।

ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বলেন, ‘সব বাধা ও সব ষড়যন্ত্র অতিক্রম করে আমি এ বছরই আমার দেশে ফিরব।’ ২০২৪ সালে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর এই প্রথম তিনি দেশে ফেরার সম্ভাব্য সময়সীমা প্রকাশ করলেন।

গত নভেম্বরে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান চলাকালে সহিংসতা উসকে দেওয়া, হত্যাকাণ্ডে প্ররোচনা এবং নৃশংসতা প্রতিরোধে ব্যর্থতার অভিযোগে ঢাকার একটি আদালত অনুপস্থিতিতে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন। তবে শেখ হাসিনা এ রায় প্রত্যাখ্যান করে বলেন, বিচারব্যবস্থাকে রাজনৈতিক প্রতিশোধের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে এবং এর লক্ষ্য আওয়ামী লীগের নেতৃত্বকে নিশ্চিহ্ন করা।

তিনি বলেন, মৃত্যুকে তিনি ভয় পান না। অতীতেও তার দলকে দুর্বল করার নানা চেষ্টা হয়েছে, কিন্তু কোনো প্রচেষ্টাই সফল হয়নি।

শেখ হাসিনার ভাষ্য, তার দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত ব্যক্তিগত ক্ষমতায় ফেরার আকাঙ্ক্ষা থেকে নয়; বরং জনগণের রাজনৈতিক অধিকার, গণতন্ত্র, আইনের শাসন এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে।

একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের মাটি ও মানুষের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত একটি রাজনৈতিক শক্তি। তিনি সরকারের প্রতি দলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো প্রত্যাহার, রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি এবং শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

অন্যদিকে বর্তমান সরকার বলছে, শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে চলমান আইনি প্রক্রিয়া জবাবদিহি নিশ্চিত করার অংশ এবং এসব কার্যক্রম আইন অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে।


পর্যন্ত নিউজ


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত পর্যন্ত নিউজ