কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলায় দিনের বেলায় এক জামায়াত নেতার বাড়িতে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। রোববার (৭ জুন) দুপুরে উপজেলার গঙ্গারহাট মোহাম্মদ আলী সরকার উচ্চ বিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী এলাকায় উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুর রহমানের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং বাড়িতে উৎসুক জনতার ভিড় জমে। মাওলানা আব্দুর রহমান গঙ্গারহাট মোহাম্মদ আলী সরকার উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এবং কাশিপুর ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবেও পরিচিত।
ভুক্তভোগী মাওলানা আব্দুর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, ঈদের পর তিনি তাঁর স্ত্রীকে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় মেয়ের বাসায় পাঠিয়েছেন। রোববার সকাল ১০টার আগে বাড়ির সব কক্ষ ও প্রধান গেটে তালা লাগিয়ে তিনি বিদ্যালয়ে যান। পরে দুপুর ১টার দিকে খাবারের জন্য বাড়িতে ফিরে এসে দেখেন, বিভিন্ন কক্ষের দরজার হ্যাজবল ও তালা ভাঙা এবং ঘরের ভেতরের আসবাবপত্র ও মালামাল এলোমেলো অবস্থায় পড়ে রয়েছে।
তিনি আরও জানান, চোরেরা বাড়ির পেছনের টিনের বাউন্ডারি ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এরপর একটি কক্ষের তালা ভেঙে একে একে তিনটি কক্ষে তছনছ চালায়। কিছু নগদ অর্থ চুরি হয়েছে বলে তিনি ধারণা করছেন। তবে মূল্যবান কোনো জিনিসপত্র বা স্বর্ণালংকার খোয়া গেছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ঘটনার পরপরই তিনি ফুলবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জকে (ওসি) মুঠোফোনে বিষয়টি জানান। খবর পেয়ে ফুলবাড়ী থানার একদল পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী ফুলবাড়ী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ইকবাল জানান, ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুন ২০২৬
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলায় দিনের বেলায় এক জামায়াত নেতার বাড়িতে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। রোববার (৭ জুন) দুপুরে উপজেলার গঙ্গারহাট মোহাম্মদ আলী সরকার উচ্চ বিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী এলাকায় উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুর রহমানের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং বাড়িতে উৎসুক জনতার ভিড় জমে। মাওলানা আব্দুর রহমান গঙ্গারহাট মোহাম্মদ আলী সরকার উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এবং কাশিপুর ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবেও পরিচিত।
ভুক্তভোগী মাওলানা আব্দুর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, ঈদের পর তিনি তাঁর স্ত্রীকে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় মেয়ের বাসায় পাঠিয়েছেন। রোববার সকাল ১০টার আগে বাড়ির সব কক্ষ ও প্রধান গেটে তালা লাগিয়ে তিনি বিদ্যালয়ে যান। পরে দুপুর ১টার দিকে খাবারের জন্য বাড়িতে ফিরে এসে দেখেন, বিভিন্ন কক্ষের দরজার হ্যাজবল ও তালা ভাঙা এবং ঘরের ভেতরের আসবাবপত্র ও মালামাল এলোমেলো অবস্থায় পড়ে রয়েছে।
তিনি আরও জানান, চোরেরা বাড়ির পেছনের টিনের বাউন্ডারি ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এরপর একটি কক্ষের তালা ভেঙে একে একে তিনটি কক্ষে তছনছ চালায়। কিছু নগদ অর্থ চুরি হয়েছে বলে তিনি ধারণা করছেন। তবে মূল্যবান কোনো জিনিসপত্র বা স্বর্ণালংকার খোয়া গেছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ঘটনার পরপরই তিনি ফুলবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জকে (ওসি) মুঠোফোনে বিষয়টি জানান। খবর পেয়ে ফুলবাড়ী থানার একদল পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী ফুলবাড়ী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ইকবাল জানান, ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন