সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নাজিয়া সামান্থা জানান, সংগীতের সঙ্গে তার সম্পর্ক ছোটবেলা থেকেই। বাবার হাত ধরেই গিটার, ভায়োলিন ও ড্রামস শেখা শুরু করেন তিনি। পরিবারের সহযোগিতা ও উৎসাহেই সংগীতের জগতে তার পথচলা শুরু হয়।
নাজিয়া বলেন, “মিউজিক লাইনে আসা আমার বাবার মাধ্যমে। ছোট থেকে বাবা আমাকে গিটার, ভায়োলিন, ড্রামস সবকিছুই শিখিয়েছে। ওভাবেই মিউজিকের সঙ্গে আমার সম্পৃক্ত হওয়া।”
তিনি আরও জানান, ২০২৫ সালে হজ পালন করার পর তার জীবনে বড় ধরনের পরিবর্তন আসে। হজের আগে তিনি নাচসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে অংশ নিলেও পরে সেসব ছেড়ে দেন। তবে ড্রামসের প্রতি ভালোবাসা থেকে যায়।
তার ভাষায়, “হজের আগপর্যন্ত আমি ড্যান্সও করতাম। হজের পরে সবকিছু ছেড়ে দিই। কিন্তু ড্রামসের প্রতি আমার আলাদা একটা টান আছে।”
ভাইরাল হওয়ার ঘটনাটিও ছিল আকস্মিক। নাজিয়ার ভাইয়ের ব্যান্ড ‘নবজাত’-এর একটি অনুষ্ঠানে তিনি হঠাৎ করেই ড্রামস বাজান। পরে সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যাপক সাড়া ফেলে।
ঘটনার বর্ণনায় তিনি বলেন, “একটি শোতে গিয়েছিলাম। সেখানে একজন শিক্ষক আমাকে চিনতে পেরে ড্রামস বাজানোর অনুরোধ করেন। আমি স্টেজে উঠে জ্যামিং করছিলাম। পরে দেখি সেটিই ভাইরাল হয়ে গেছে।”
ভাইরাল হওয়ার পর প্রশংসার পাশাপাশি সমালোচনারও মুখোমুখি হতে হয়েছে নাজিয়াকে। বিশেষ করে হিজাব পরে ড্রামস বাজানো নিয়ে বিভিন্ন কটূক্তি শুনতে হয়েছে বলে জানান তিনি।
তবে এসব মন্তব্যকে গুরুত্ব দিতে নারাজ নাজিয়া। তিনি বলেন, “ড্রামসও আমার ইচ্ছা থেকে বাজাই, হিজাবও আমার ইচ্ছায় করি। তাই নেতিবাচক মন্তব্যগুলো আমি কানেই নিচ্ছি না। যারা ইতিবাচক মন্তব্য করছেন, তাদের ভালোবাসা নিয়েই সামনে এগিয়ে যেতে চাই।”
পরিবারের সমর্থনের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। নাজিয়ার ভাষায়, “ছোটবেলা থেকেই বাবা-মায়ের পূর্ণ সমর্থন পেয়েছি। বাবাই আমাকে সংগীতের জগতে নিয়ে এসেছেন। আজ আমি যতটুকু এগিয়েছি, তার বড় কারণ আমার বাবা।”

শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুন ২০২৬
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নাজিয়া সামান্থা জানান, সংগীতের সঙ্গে তার সম্পর্ক ছোটবেলা থেকেই। বাবার হাত ধরেই গিটার, ভায়োলিন ও ড্রামস শেখা শুরু করেন তিনি। পরিবারের সহযোগিতা ও উৎসাহেই সংগীতের জগতে তার পথচলা শুরু হয়।
নাজিয়া বলেন, “মিউজিক লাইনে আসা আমার বাবার মাধ্যমে। ছোট থেকে বাবা আমাকে গিটার, ভায়োলিন, ড্রামস সবকিছুই শিখিয়েছে। ওভাবেই মিউজিকের সঙ্গে আমার সম্পৃক্ত হওয়া।”
তিনি আরও জানান, ২০২৫ সালে হজ পালন করার পর তার জীবনে বড় ধরনের পরিবর্তন আসে। হজের আগে তিনি নাচসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে অংশ নিলেও পরে সেসব ছেড়ে দেন। তবে ড্রামসের প্রতি ভালোবাসা থেকে যায়।
তার ভাষায়, “হজের আগপর্যন্ত আমি ড্যান্সও করতাম। হজের পরে সবকিছু ছেড়ে দিই। কিন্তু ড্রামসের প্রতি আমার আলাদা একটা টান আছে।”
ভাইরাল হওয়ার ঘটনাটিও ছিল আকস্মিক। নাজিয়ার ভাইয়ের ব্যান্ড ‘নবজাত’-এর একটি অনুষ্ঠানে তিনি হঠাৎ করেই ড্রামস বাজান। পরে সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যাপক সাড়া ফেলে।
ঘটনার বর্ণনায় তিনি বলেন, “একটি শোতে গিয়েছিলাম। সেখানে একজন শিক্ষক আমাকে চিনতে পেরে ড্রামস বাজানোর অনুরোধ করেন। আমি স্টেজে উঠে জ্যামিং করছিলাম। পরে দেখি সেটিই ভাইরাল হয়ে গেছে।”
ভাইরাল হওয়ার পর প্রশংসার পাশাপাশি সমালোচনারও মুখোমুখি হতে হয়েছে নাজিয়াকে। বিশেষ করে হিজাব পরে ড্রামস বাজানো নিয়ে বিভিন্ন কটূক্তি শুনতে হয়েছে বলে জানান তিনি।
তবে এসব মন্তব্যকে গুরুত্ব দিতে নারাজ নাজিয়া। তিনি বলেন, “ড্রামসও আমার ইচ্ছা থেকে বাজাই, হিজাবও আমার ইচ্ছায় করি। তাই নেতিবাচক মন্তব্যগুলো আমি কানেই নিচ্ছি না। যারা ইতিবাচক মন্তব্য করছেন, তাদের ভালোবাসা নিয়েই সামনে এগিয়ে যেতে চাই।”
পরিবারের সমর্থনের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। নাজিয়ার ভাষায়, “ছোটবেলা থেকেই বাবা-মায়ের পূর্ণ সমর্থন পেয়েছি। বাবাই আমাকে সংগীতের জগতে নিয়ে এসেছেন। আজ আমি যতটুকু এগিয়েছি, তার বড় কারণ আমার বাবা।”

আপনার মতামত লিখুন