ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
পর্যন্ত নিউজ

২০০ কোটির অর্থ পাচার মামলায় নতুন মোড়, জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ নিয়ে ইডির কঠোর অবস্থান



২০০ কোটির অর্থ পাচার মামলায় নতুন মোড়, জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ নিয়ে ইডির কঠোর অবস্থান
ছবি: সংগৃহীত

বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজকে ঘিরে ২০০ কোটি রুপির অর্থ পাচার মামলায় নতুন করে জটিলতা তৈরি হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত এই মামলায় এবার তিনি সরকারি সাক্ষী হওয়ার চেষ্টা করলেও তা সফল হয়নি।

ভারতীয় তদন্ত সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) আদালতে দাবি করেছে, জ্যাকুলিন কেবল ভুক্তভোগী নন, বরং প্রতারক সুকেশ চন্দ্রশেখরের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তিনি জড়িত ছিলেন বলেও তাদের কাছে তথ্যপ্রমাণ রয়েছে।

জ্যাকুলিন ও সুকেশছবি: সংগৃহীত


প্রতিবেদন অনুযায়ী, আদালতে সরকারি সাক্ষী হওয়ার আবেদন করেছিলেন জ্যাকুলিন, তবে ইডির বিরোধিতার পর তিনি সেই আবেদন প্রত্যাহার করে নেন। সংস্থাটির দাবি, তদন্তে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী তাকে সাক্ষী নয়, অভিযুক্ত হিসেবেই দেখা উচিত।

ইডির ভাষ্য, সুকেশের অপরাধ সম্পর্কে জানা সত্ত্বেও তার সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখেছিলেন জ্যাকুলিন। অভিযোগ রয়েছে, অর্থ পাচারের টাকায় তিনি দামি উপহার, গয়না, ব্যাগ ও বিলাসবহুল সামগ্রী গ্রহণ করেছিলেন। এমনকি পরিবারের সদস্যরাও সুবিধা পেয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।

তদন্ত সংস্থা আরও জানায়, ফোনালাপ ও বার্তার প্রমাণও তাদের হাতে রয়েছে, যা অনুযায়ী তিনি ইচ্ছাকৃতভাবেই এসব সম্পর্ক বজায় রেখেছিলেন এবং অর্থের উৎস সম্পর্কে অবগত ছিলেন।

এই মামলায় এর আগে একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে ডাকা হয় এবং পরবর্তীতে তার নাম চার্জশিটেও যুক্ত করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন

পর্যন্ত নিউজ

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬


২০০ কোটির অর্থ পাচার মামলায় নতুন মোড়, জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ নিয়ে ইডির কঠোর অবস্থান

প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬

featured Image

বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজকে ঘিরে ২০০ কোটি রুপির অর্থ পাচার মামলায় নতুন করে জটিলতা তৈরি হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত এই মামলায় এবার তিনি সরকারি সাক্ষী হওয়ার চেষ্টা করলেও তা সফল হয়নি।

ভারতীয় তদন্ত সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) আদালতে দাবি করেছে, জ্যাকুলিন কেবল ভুক্তভোগী নন, বরং প্রতারক সুকেশ চন্দ্রশেখরের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তিনি জড়িত ছিলেন বলেও তাদের কাছে তথ্যপ্রমাণ রয়েছে।

জ্যাকুলিন ও সুকেশছবি: সংগৃহীত


প্রতিবেদন অনুযায়ী, আদালতে সরকারি সাক্ষী হওয়ার আবেদন করেছিলেন জ্যাকুলিন, তবে ইডির বিরোধিতার পর তিনি সেই আবেদন প্রত্যাহার করে নেন। সংস্থাটির দাবি, তদন্তে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী তাকে সাক্ষী নয়, অভিযুক্ত হিসেবেই দেখা উচিত।

ইডির ভাষ্য, সুকেশের অপরাধ সম্পর্কে জানা সত্ত্বেও তার সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখেছিলেন জ্যাকুলিন। অভিযোগ রয়েছে, অর্থ পাচারের টাকায় তিনি দামি উপহার, গয়না, ব্যাগ ও বিলাসবহুল সামগ্রী গ্রহণ করেছিলেন। এমনকি পরিবারের সদস্যরাও সুবিধা পেয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।

তদন্ত সংস্থা আরও জানায়, ফোনালাপ ও বার্তার প্রমাণও তাদের হাতে রয়েছে, যা অনুযায়ী তিনি ইচ্ছাকৃতভাবেই এসব সম্পর্ক বজায় রেখেছিলেন এবং অর্থের উৎস সম্পর্কে অবগত ছিলেন।

এই মামলায় এর আগে একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে ডাকা হয় এবং পরবর্তীতে তার নাম চার্জশিটেও যুক্ত করা হয়।


পর্যন্ত নিউজ


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত পর্যন্ত নিউজ