বদলে যাচ্ছে ব্যস্ততম ঢাকার ট্রাফিক চিত্র। শুনতেই মাথায় প্রশ্ন জাগতে পারে ঢাকা কি তবে যুক্তরাষ্ট্র কিংবা সিঙ্গাপুরের মতো আধুনিক কোনো নগরী হতে চলেছে? উত্তরটা পুরোপুরি হ্যাঁ না হলেও, একেবারে না বলারও উপায় নেই। সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) এক গণবিজ্ঞপ্তিতে তেমনই ইঙ্গিত দিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে ডিএমপি জানিয়েছে, রাজধানীর বিভিন্ন ট্রাফিক সিগন্যাল ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় উন্নত প্রযুক্তির এআই (AI) ক্যামেরা এবং বিশেষ সফটওয়্যার (AI Based Road Transport Act 2018 Violation Detection Software) স্থাপন করা হয়েছে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে এখন থেকে লাল বাতি অমান্য করা, স্টপ লাইন অতিক্রম, উল্টো পথে চলা, যত্রতত্র যাত্রী উঠিয়ে যানজট সৃষ্টি, অবৈধ পার্কিং এবং লেফট লেন ব্লক করার মতো অপরাধগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করে ডিজিটাল প্রসিকিউশন বা মামলা শুরু হয়েছে।
ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় ডিএমপির এই পদক্ষেপ মূলত বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর আধুনিক ব্যবস্থারই প্রতিফলন। এর ফলে উন্নত দেশগুলোর মতো এখানেও আগের মতো রাস্তায় দাঁড়িয়ে পুলিশের সঙ্গে তর্কের কোনো সুযোগ থাকছে না। সিসিটিভি ফুটেজ ও ভিডিওর ভিত্তিতে ‘ই-প্রসিকিউশন’ সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরি হচ্ছে ‘অটো জেনারেশন নোটিশ’, যা রেজিস্ট্রি ডাকযোগে সরাসরি পৌঁছে যাচ্ছে গাড়ির মালিকের ঠিকানায়।
যুক্তরাজ্যের লন্ডন বা সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইতে যেভাবে ডিজিটাল পদ্ধতিতে মামলার নোটিশ পাঠানো হয়, ডিএমপি এখন সেই একই পথ অনুসরণ করছে। আধুনিক এই ব্যবস্থার ফলে একদিকে যেমন ট্রাফিক পুলিশের ওপর সরাসরি চাপ কমছে, অন্যদিকে চালক ও মালিকদের মধ্যেও আইন মানার ক্ষেত্রে এক ধরনের মনস্তাত্ত্বিক দায়বদ্ধতা তৈরি হচ্ছে।
বিষয় : ঢাকা ট্রাফিক ডিএমপি ডিজিটাল ট্রাফিক পর্যন্ত নিউজ

মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬
বদলে যাচ্ছে ব্যস্ততম ঢাকার ট্রাফিক চিত্র। শুনতেই মাথায় প্রশ্ন জাগতে পারে ঢাকা কি তবে যুক্তরাষ্ট্র কিংবা সিঙ্গাপুরের মতো আধুনিক কোনো নগরী হতে চলেছে? উত্তরটা পুরোপুরি হ্যাঁ না হলেও, একেবারে না বলারও উপায় নেই। সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) এক গণবিজ্ঞপ্তিতে তেমনই ইঙ্গিত দিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে ডিএমপি জানিয়েছে, রাজধানীর বিভিন্ন ট্রাফিক সিগন্যাল ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় উন্নত প্রযুক্তির এআই (AI) ক্যামেরা এবং বিশেষ সফটওয়্যার (AI Based Road Transport Act 2018 Violation Detection Software) স্থাপন করা হয়েছে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে এখন থেকে লাল বাতি অমান্য করা, স্টপ লাইন অতিক্রম, উল্টো পথে চলা, যত্রতত্র যাত্রী উঠিয়ে যানজট সৃষ্টি, অবৈধ পার্কিং এবং লেফট লেন ব্লক করার মতো অপরাধগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করে ডিজিটাল প্রসিকিউশন বা মামলা শুরু হয়েছে।
ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় ডিএমপির এই পদক্ষেপ মূলত বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর আধুনিক ব্যবস্থারই প্রতিফলন। এর ফলে উন্নত দেশগুলোর মতো এখানেও আগের মতো রাস্তায় দাঁড়িয়ে পুলিশের সঙ্গে তর্কের কোনো সুযোগ থাকছে না। সিসিটিভি ফুটেজ ও ভিডিওর ভিত্তিতে ‘ই-প্রসিকিউশন’ সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরি হচ্ছে ‘অটো জেনারেশন নোটিশ’, যা রেজিস্ট্রি ডাকযোগে সরাসরি পৌঁছে যাচ্ছে গাড়ির মালিকের ঠিকানায়।
যুক্তরাজ্যের লন্ডন বা সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইতে যেভাবে ডিজিটাল পদ্ধতিতে মামলার নোটিশ পাঠানো হয়, ডিএমপি এখন সেই একই পথ অনুসরণ করছে। আধুনিক এই ব্যবস্থার ফলে একদিকে যেমন ট্রাফিক পুলিশের ওপর সরাসরি চাপ কমছে, অন্যদিকে চালক ও মালিকদের মধ্যেও আইন মানার ক্ষেত্রে এক ধরনের মনস্তাত্ত্বিক দায়বদ্ধতা তৈরি হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন