নরসিংদীর মাধবদী উপজেলার কাঁঠালিয়া ইউনিয়নের পদ্মারকান্দা দীঘির পাড় এলাকায় গভীর রাতে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয়দের দাবি, একই সময়ে অন্তত তিনটি বাড়িতে একযোগে হানা দেয় ডাকাত দল। হামলায় তিনজন আহত হয়েছেন। ডাকাতরা যাওয়ার সময় ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটিয়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে পালিয়ে যায়।
ভুক্তভোগী মিনহাজুল ইসলাম জানান, শুক্রবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১টা ৪০ মিনিটে ৫ থেকে ৭ জনের একটি ডাকাত দল তাঁর বাড়ির প্রধান ফটক টপকে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে ভেতরের গেটের তালা ভেঙে অন্য সহযোগীদেরও ঢুকিয়ে নেয়। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই দুটি দরজা ভেঙে তারা তাঁর শয়নকক্ষে প্রবেশ করে।
ঘটনার সময় তাঁর স্ত্রী ও সন্তান নানার বাড়িতে থাকায় তিনি ঘরে একাই ছিলেন। হঠাৎ ডাকাতদের উপস্থিতিতে তিনি চিৎকার করলে তারা অস্ত্রের মুখে তাঁকে জিম্মি করে নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার দাবি করে। প্রাণের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে তিনি তাঁর কাছে থাকা প্রায় ৫০ হাজার টাকা ডাকাতদের দিয়ে দেন। এরপর ডাকাতরা ঘরের আলমারি ও ওয়ারড্রব তছনছ করে আনুমানিক ২ থেকে ৩ ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নিয়ে যায়।
মিনহাজুল ইসলাম আরও জানান, লুটপাট শেষে ডাকাতরা তাঁর হাত-পা বেঁধে ফেলার চেষ্টা করে। তিনি কোনো ধরনের চিৎকার বা প্রতিরোধ করবেন না বলে অনুরোধ করলে ডাকাত দলের নেতা তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে বলে, “যদি চেঁচামেচি করিস, তাহলে কাল এসে তোকে জবাই করে যাব।”
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একই সময়ে আশপাশের আরও অন্তত দুটি বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ডাকাতদের হামলায় তিনজন আহত হন। এলাকাবাসীর ভাষ্য, পালিয়ে যাওয়ার সময় ডাকাতরা কয়েকটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে কাজ চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
তবে ডাকাতির ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং হামলার বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুলাই ২০২৬
নরসিংদীর মাধবদী উপজেলার কাঁঠালিয়া ইউনিয়নের পদ্মারকান্দা দীঘির পাড় এলাকায় গভীর রাতে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয়দের দাবি, একই সময়ে অন্তত তিনটি বাড়িতে একযোগে হানা দেয় ডাকাত দল। হামলায় তিনজন আহত হয়েছেন। ডাকাতরা যাওয়ার সময় ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটিয়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে পালিয়ে যায়।
ভুক্তভোগী মিনহাজুল ইসলাম জানান, শুক্রবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১টা ৪০ মিনিটে ৫ থেকে ৭ জনের একটি ডাকাত দল তাঁর বাড়ির প্রধান ফটক টপকে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে ভেতরের গেটের তালা ভেঙে অন্য সহযোগীদেরও ঢুকিয়ে নেয়। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই দুটি দরজা ভেঙে তারা তাঁর শয়নকক্ষে প্রবেশ করে।
ঘটনার সময় তাঁর স্ত্রী ও সন্তান নানার বাড়িতে থাকায় তিনি ঘরে একাই ছিলেন। হঠাৎ ডাকাতদের উপস্থিতিতে তিনি চিৎকার করলে তারা অস্ত্রের মুখে তাঁকে জিম্মি করে নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার দাবি করে। প্রাণের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে তিনি তাঁর কাছে থাকা প্রায় ৫০ হাজার টাকা ডাকাতদের দিয়ে দেন। এরপর ডাকাতরা ঘরের আলমারি ও ওয়ারড্রব তছনছ করে আনুমানিক ২ থেকে ৩ ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নিয়ে যায়।
মিনহাজুল ইসলাম আরও জানান, লুটপাট শেষে ডাকাতরা তাঁর হাত-পা বেঁধে ফেলার চেষ্টা করে। তিনি কোনো ধরনের চিৎকার বা প্রতিরোধ করবেন না বলে অনুরোধ করলে ডাকাত দলের নেতা তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে বলে, “যদি চেঁচামেচি করিস, তাহলে কাল এসে তোকে জবাই করে যাব।”
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একই সময়ে আশপাশের আরও অন্তত দুটি বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ডাকাতদের হামলায় তিনজন আহত হন। এলাকাবাসীর ভাষ্য, পালিয়ে যাওয়ার সময় ডাকাতরা কয়েকটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে কাজ চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
তবে ডাকাতির ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং হামলার বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন