দেশের ভূমি ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক, স্বচ্ছ ও প্রযুক্তিনির্ভর করার লক্ষ্যে “মৌজা ও প্লট ভিত্তিক জাতীয় ডিজিটাল ভূমি জোনিং প্রকল্প” বিষয়ে মতলব দক্ষিণ উপজেলা অডিটোরিয়ামে অবহিতকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৫ জুন) ভূমি মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়নে আয়োজিত এ কর্মশালায় উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, সাংবাদিকসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেন।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও প্রকল্পের মূল্যায়ন ও পরিবীক্ষণ বিশেষজ্ঞ মো. আফজালুর রহমান। তিনি বলেন, ডিজিটাল ভূমি জোনিং কার্যক্রম বাস্তবায়নের মাধ্যমে ভূমি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পাবে এবং পরিকল্পিত উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কে এম ইশমামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় প্রকল্পের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। প্রকল্পের ডিআইএস অ্যান্ড আরএস স্পেশালিস্ট সজল চন্দ্র দেবনাথ মূল উপস্থাপনায় ডিজিটাল প্রক্রিয়া ও ভূমি জোনিংয়ের ধারণা ব্যাখ্যা করেন।
এ সময় জিআইএস অ্যান্ড আরএস অ্যানালিস্ট খন্দকার জোবায়ের আহমেদ, অফিস সহায়ক জাকির হোসেন আকন্দসহ প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
কর্মশালায় জানানো হয়, মতলব দক্ষিণ উপজেলার ভূমি ব্যবহার বিশ্লেষণে কৃষি অঞ্চল ৩৪ দশমিক ৪৮ শতাংশ, গ্রামীণ বসতি ২৪ শতাংশ, শহুরে আবাসিক এলাকা ২১ শতাংশ, জলাশয়, জলাভূমি ও জলাধার ১২ শতাংশ এবং নদী ও খাল ৫ শতাংশ রয়েছে।
এছাড়া উপজেলার মোট ১২ হাজার ৯৮৩ দশমিক ২৭ হেক্টর ভূমির মধ্যে প্রায় ৫৬ শতাংশ আবাদি জমি, ২৫ শতাংশ বসতি এলাকা এবং প্রায় ১৭ শতাংশ জলাভূমি রয়েছে।
প্রশ্নোত্তর পর্বে মতলব সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আবুল কালাম আজাদ, কবি ও সাংবাদিক মুহাম্মদ জাকির হোসেন, রমনের নেসা মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ অরুণ চন্দ্র, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি মোজাম্মেল হক খোকন, সুরুজ দেওয়ানসহ অনেকে বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন করলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বিস্তারিত ব্যাখ্যা প্রদান করেন।
কর্মশালায় বলা হয়, উপজেলার ভূমি ব্যবহার কাঠামো অত্যন্ত বৈচিত্র্যপূর্ণ ও কৃষিনির্ভর। তথ্যভিত্তিক এ বিশ্লেষণের মাধ্যমে ভূমির সঠিক শ্রেণিবিন্যাস, পরিকল্পিত ব্যবহার এবং উন্নয়ন কার্যক্রম গ্রহণ আরও সহজ হবে।
প্রায় ৪০ জন অংশগ্রহণকারীর উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এ কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা প্রকল্প সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা লাভ করেন এবং মতবিনিময় পর্বে বিভিন্ন মতামত তুলে ধরেন।
আয়োজকরা জানান, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দেশের ভূমি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে এবং টেকসই ভূমি উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬
দেশের ভূমি ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক, স্বচ্ছ ও প্রযুক্তিনির্ভর করার লক্ষ্যে “মৌজা ও প্লট ভিত্তিক জাতীয় ডিজিটাল ভূমি জোনিং প্রকল্প” বিষয়ে মতলব দক্ষিণ উপজেলা অডিটোরিয়ামে অবহিতকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৫ জুন) ভূমি মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়নে আয়োজিত এ কর্মশালায় উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, সাংবাদিকসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেন।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও প্রকল্পের মূল্যায়ন ও পরিবীক্ষণ বিশেষজ্ঞ মো. আফজালুর রহমান। তিনি বলেন, ডিজিটাল ভূমি জোনিং কার্যক্রম বাস্তবায়নের মাধ্যমে ভূমি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পাবে এবং পরিকল্পিত উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কে এম ইশমামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় প্রকল্পের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। প্রকল্পের ডিআইএস অ্যান্ড আরএস স্পেশালিস্ট সজল চন্দ্র দেবনাথ মূল উপস্থাপনায় ডিজিটাল প্রক্রিয়া ও ভূমি জোনিংয়ের ধারণা ব্যাখ্যা করেন।
এ সময় জিআইএস অ্যান্ড আরএস অ্যানালিস্ট খন্দকার জোবায়ের আহমেদ, অফিস সহায়ক জাকির হোসেন আকন্দসহ প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
কর্মশালায় জানানো হয়, মতলব দক্ষিণ উপজেলার ভূমি ব্যবহার বিশ্লেষণে কৃষি অঞ্চল ৩৪ দশমিক ৪৮ শতাংশ, গ্রামীণ বসতি ২৪ শতাংশ, শহুরে আবাসিক এলাকা ২১ শতাংশ, জলাশয়, জলাভূমি ও জলাধার ১২ শতাংশ এবং নদী ও খাল ৫ শতাংশ রয়েছে।
এছাড়া উপজেলার মোট ১২ হাজার ৯৮৩ দশমিক ২৭ হেক্টর ভূমির মধ্যে প্রায় ৫৬ শতাংশ আবাদি জমি, ২৫ শতাংশ বসতি এলাকা এবং প্রায় ১৭ শতাংশ জলাভূমি রয়েছে।
প্রশ্নোত্তর পর্বে মতলব সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আবুল কালাম আজাদ, কবি ও সাংবাদিক মুহাম্মদ জাকির হোসেন, রমনের নেসা মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ অরুণ চন্দ্র, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি মোজাম্মেল হক খোকন, সুরুজ দেওয়ানসহ অনেকে বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন করলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বিস্তারিত ব্যাখ্যা প্রদান করেন।
কর্মশালায় বলা হয়, উপজেলার ভূমি ব্যবহার কাঠামো অত্যন্ত বৈচিত্র্যপূর্ণ ও কৃষিনির্ভর। তথ্যভিত্তিক এ বিশ্লেষণের মাধ্যমে ভূমির সঠিক শ্রেণিবিন্যাস, পরিকল্পিত ব্যবহার এবং উন্নয়ন কার্যক্রম গ্রহণ আরও সহজ হবে।
প্রায় ৪০ জন অংশগ্রহণকারীর উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এ কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা প্রকল্প সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা লাভ করেন এবং মতবিনিময় পর্বে বিভিন্ন মতামত তুলে ধরেন।
আয়োজকরা জানান, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দেশের ভূমি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে এবং টেকসই ভূমি উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন