যানবাহন ও সাধারণ মানুষের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা দূর করা এবং দুর্ঘটনা এড়ানোর লক্ষ্যে উপজেলা প্রশাসন এ অভিযান পরিচালনা করে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মতলব সেতু নির্মাণের পর থেকেই সেতুর ওপর প্রায় অর্ধশত ভাসমান চটপটি, ফুচকা ও হালিমের দোকান গড়ে ওঠে। এসব দোকানের চারপাশে ক্রেতাদের বসার জন্য চেয়ার সাজিয়ে রাখা হতো। ফলে সেতুর ওপর যানবাহন ও পথচারীদের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হতো।
মতলব সেতুর ওপর দিয়ে প্রতিদিন চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর ও ঢাকা থেকে আসা বাস, ট্রাক, মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার, সিএনজি, অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলসহ শত শত যানবাহন চলাচল করে। স্থানীয়দের মতে, অবৈধ দোকানগুলোর কারণে সেতুতে প্রায়ই যানজটের সৃষ্টি হতো এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ত।
এছাড়া রাত গভীর পর্যন্ত এসব দোকানকে কেন্দ্র করে মানুষের আড্ডা চলত। সেতুতে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা না থাকায় অন্ধকারে মাদক সেবনসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগও রয়েছে। এ কারণে দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসী প্রশাসনের কাছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে আসছিলেন।
গত মঙ্গলবার (২ জুন) মতলব সেতুর অ্যাপ্রোচ সড়কে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় দুইজনের মর্মান্তিক মৃত্যুর পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে। এরপর স্থানীয় বাসিন্দা, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন, জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকা, অনলাইন গণমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সেতুর ওপর থাকা সকল অবৈধ ভাসমান দোকান উচ্ছেদের দাবি জোরালো হয়ে ওঠে।
বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলা প্রশাসন উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে।
স্থানীয়রা উপজেলা প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে সেতুকে স্থায়ীভাবে হকারমুক্ত রাখতে নিয়মিত নজরদারির দাবি জানিয়েছেন।
মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কেএম ইশমাম বলেন, “সেতুর ওপর দোকান বসিয়ে ব্যবসা পরিচালনার কোনো বৈধতা নেই। জনগণের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে অবৈধভাবে ভাসমান দোকান বসানোর কারণে এসব দোকান উচ্ছেদ করা হয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং সেতুর নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
উচ্ছেদ অভিযানে উপজেলা প্রশাসনের পাশাপাশি থানা পুলিশ এবং ক্লিন চাঁদপুর মতলব দক্ষিণ উপজেলা শাখার স্বেচ্ছাসেবকেরা সহযোগিতা করেন।

শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুন ২০২৬
যানবাহন ও সাধারণ মানুষের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা দূর করা এবং দুর্ঘটনা এড়ানোর লক্ষ্যে উপজেলা প্রশাসন এ অভিযান পরিচালনা করে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মতলব সেতু নির্মাণের পর থেকেই সেতুর ওপর প্রায় অর্ধশত ভাসমান চটপটি, ফুচকা ও হালিমের দোকান গড়ে ওঠে। এসব দোকানের চারপাশে ক্রেতাদের বসার জন্য চেয়ার সাজিয়ে রাখা হতো। ফলে সেতুর ওপর যানবাহন ও পথচারীদের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হতো।
মতলব সেতুর ওপর দিয়ে প্রতিদিন চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর ও ঢাকা থেকে আসা বাস, ট্রাক, মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার, সিএনজি, অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলসহ শত শত যানবাহন চলাচল করে। স্থানীয়দের মতে, অবৈধ দোকানগুলোর কারণে সেতুতে প্রায়ই যানজটের সৃষ্টি হতো এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ত।
এছাড়া রাত গভীর পর্যন্ত এসব দোকানকে কেন্দ্র করে মানুষের আড্ডা চলত। সেতুতে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা না থাকায় অন্ধকারে মাদক সেবনসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগও রয়েছে। এ কারণে দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসী প্রশাসনের কাছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে আসছিলেন।
গত মঙ্গলবার (২ জুন) মতলব সেতুর অ্যাপ্রোচ সড়কে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় দুইজনের মর্মান্তিক মৃত্যুর পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে। এরপর স্থানীয় বাসিন্দা, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন, জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকা, অনলাইন গণমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সেতুর ওপর থাকা সকল অবৈধ ভাসমান দোকান উচ্ছেদের দাবি জোরালো হয়ে ওঠে।
বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলা প্রশাসন উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে।
স্থানীয়রা উপজেলা প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে সেতুকে স্থায়ীভাবে হকারমুক্ত রাখতে নিয়মিত নজরদারির দাবি জানিয়েছেন।
মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কেএম ইশমাম বলেন, “সেতুর ওপর দোকান বসিয়ে ব্যবসা পরিচালনার কোনো বৈধতা নেই। জনগণের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে অবৈধভাবে ভাসমান দোকান বসানোর কারণে এসব দোকান উচ্ছেদ করা হয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং সেতুর নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
উচ্ছেদ অভিযানে উপজেলা প্রশাসনের পাশাপাশি থানা পুলিশ এবং ক্লিন চাঁদপুর মতলব দক্ষিণ উপজেলা শাখার স্বেচ্ছাসেবকেরা সহযোগিতা করেন।

আপনার মতামত লিখুন