মোদির কনভয়ে গাড়ি কমানো ও জ্বালানি সাশ্রয়ের উদ্যোগ
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁর সরকারি কনভয়ের যানবাহনের সংখ্যা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, জ্বালানি সাশ্রয় ও সরকারি ব্যয় নিয়ন্ত্রণের অংশ হিসেবে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে স্পেশাল প্রোটেকশন গ্রুপ (এসপিজি)-এর কাছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বজায় রেখে কনভয়ের গাড়ির সংখ্যা কমাতে হবে এবং পেট্রল বা ডিজেলচালিত গাড়ির পরিবর্তে ধীরে ধীরে বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যবহার বাড়াতে হবে। পাশাপাশি নতুন গাড়ি কেনার ওপরও সীমাবদ্ধতা রাখা হয়েছে।
সরকারি সূত্রের দাবি, নির্দেশ পাওয়ার পর থেকেই এসপিজি তা বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে। একই সঙ্গে ধারণা করা হচ্ছে, বিজেপি শাসিত বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরাও এ ধরনের উদ্যোগ অনুসরণ করতে পারেন।
সম্প্রতি পশ্চিম এশিয়ার উত্তেজনা ও বৈশ্বিক অস্থিরতার প্রসঙ্গ তুলে মোদি দেশবাসীর কাছে সাশ্রয়ী ও সচেতনভাবে জ্বালানি ব্যবহারের আহ্বান জানান। তিনি পেট্রল, ডিজেল, রান্নার গ্যাস, ভোজ্য তেলসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় পণ্যের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে রাখার পরামর্শ দেন।
এ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে সমালোচনাও শুরু হয়েছে। বিরোধী নেতা রাহুল গান্ধী সামাজিক মাধ্যমে মন্তব্য করে বলেন, সাধারণ মানুষের ওপর ত্যাগের বার্তা চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে, যা তার মতে নীতিগত ব্যর্থতার ইঙ্গিত।

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
মোদির কনভয়ে গাড়ি কমানো ও জ্বালানি সাশ্রয়ের উদ্যোগ
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁর সরকারি কনভয়ের যানবাহনের সংখ্যা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, জ্বালানি সাশ্রয় ও সরকারি ব্যয় নিয়ন্ত্রণের অংশ হিসেবে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে স্পেশাল প্রোটেকশন গ্রুপ (এসপিজি)-এর কাছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বজায় রেখে কনভয়ের গাড়ির সংখ্যা কমাতে হবে এবং পেট্রল বা ডিজেলচালিত গাড়ির পরিবর্তে ধীরে ধীরে বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যবহার বাড়াতে হবে। পাশাপাশি নতুন গাড়ি কেনার ওপরও সীমাবদ্ধতা রাখা হয়েছে।
সরকারি সূত্রের দাবি, নির্দেশ পাওয়ার পর থেকেই এসপিজি তা বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে। একই সঙ্গে ধারণা করা হচ্ছে, বিজেপি শাসিত বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরাও এ ধরনের উদ্যোগ অনুসরণ করতে পারেন।
সম্প্রতি পশ্চিম এশিয়ার উত্তেজনা ও বৈশ্বিক অস্থিরতার প্রসঙ্গ তুলে মোদি দেশবাসীর কাছে সাশ্রয়ী ও সচেতনভাবে জ্বালানি ব্যবহারের আহ্বান জানান। তিনি পেট্রল, ডিজেল, রান্নার গ্যাস, ভোজ্য তেলসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় পণ্যের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে রাখার পরামর্শ দেন।
এ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে সমালোচনাও শুরু হয়েছে। বিরোধী নেতা রাহুল গান্ধী সামাজিক মাধ্যমে মন্তব্য করে বলেন, সাধারণ মানুষের ওপর ত্যাগের বার্তা চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে, যা তার মতে নীতিগত ব্যর্থতার ইঙ্গিত।

আপনার মতামত লিখুন