ঢাকা    মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
পর্যন্ত নিউজ

আর্কাইভ দেখুন

ক্লাসে কখনো প্রথম, দ্বিতীয় বা তৃতীয় হতে পারিনি

ক্লাসে কখনো প্রথম, দ্বিতীয় বা তৃতীয় হতে পারিনি

ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়া সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে নিজের ক্যারিয়ার, ব্যক্তিগত সংগ্রাম এবং তারকাজীবনের নানা চাপ নিয়ে খোলামেলা মন্তব্য করেছেন।তিনি বলেন, সাফল্যের পথ তার জন্য কখনোই সহজ ছিল না। পড়াশোনার সময়ও ভালো ফল করার জন্য কঠোর চেষ্টা করলেও তিনি কখনোই ক্লাসে প্রথম, দ্বিতীয় বা তৃতীয় স্থান অর্জন করতে পারেননি। তবে সেই ব্যর্থতাগুলোই তাকে পরিশ্রমী ও দৃঢ় মানসিকতার মানুষ হিসেবে গড়ে তুলেছে বলে তিনি মনে করেন।নুসরাত ফারিয়া আরও বলেন, জীবনে কিছু অর্জন করতে হলে কঠোর পরিশ্রমের কোনো বিকল্প নেই। তিনি তার মায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপদেশের কথাও উল্লেখ করেন, যেখানে বলা হয়েছিল, যে কাজই করা হোক না কেন, নিয়মিত চর্চা ও অধ্যবসায় ধরে রাখতে হবে।তিনি জানান, এখন পর্যন্ত তিনি প্রায় ২৩টি চলচ্চিত্র, একাধিক গান এবং দেশ-বিদেশে ৫০০টিরও বেশি স্টেজ শো সম্পন্ন করেছেন। এত অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও প্রতিটি নতুন কাজের আগে তিনি এখনো নার্ভাস অনুভব করেন এবং প্রতিটি শটকে সমান গুরুত্ব দেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সমালোচনা নিয়েও তিনি কথা বলেন। তার মতে, তারকাদের প্রতিনিয়ত পারফেক্ট থাকার একটি কঠিন চাপ থাকে। চেহারা, আচরণ বা ছোট পরিবর্তন নিয়েও অনলাইনে দ্রুত সমালোচনা শুরু হয়। তাই তারা সবসময় নিজেদের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেন।


বডি রোল’ গান এর মিউজিক গান ভিডিও নিয়ে কপি বিতর্ক

বডি রোল’ গান এর মিউজিক গান ভিডিও নিয়ে কপি বিতর্ক

জনপ্রিয় নৃত্যশিল্পী ও অভিনেত্রী নোরা ফাতেহি এবং সংগীতশিল্পী হানি সিং আবারও নতুন একটি সংগীত প্রকল্পে একসঙ্গে কাজ করছেন। তাঁদের নতুন গানটির নাম “বডি রোল”।দুই তারকার এই নতুন সহযোগিতা ইতিমধ্যেই ভক্ত ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করেছে। কারণ দুজনই আগে থেকেই দর্শকদের কাছে ভিজ্যুয়াল ও বাণিজ্যিকভাবে সফল গান উপহার দেওয়ার জন্য পরিচিত।নোরা ফাতেহি তার উদ্যমী নাচ ও জনপ্রিয় মিউজিক ভিডিওর মাধ্যমে ইতিমধ্যেই আলাদা অবস্থান তৈরি করেছেন। অন্যদিকে হানি সিং ভারতীয় পপ ও র‍্যাপ সংগীতের অন্যতম জনপ্রিয় নাম হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দর্শকদের মন জয় করে আসছেন।নোরা ফাতেহি ও হানি সিংয়ের নতুন গান ‘বডি রোল’ প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা ও সমালোচনা। ভিডিওটি প্রকাশের পর অনেক নেটিজেন দাবি করছেন, এর ভিজ্যুয়াল স্টাইল জনপ্রিয় অ্যানিমেশন সিরিজ ‘লাভ ডেথ অ্যান্ড রোবটস’-এর সঙ্গে বেশ মিল রয়েছে। কারও কারও মতে, এটি একেবারে “পুরোপুরি নকল” করা হয়েছে।ভিডিওটির বিভিন্ন দৃশ্য, আলো–ছায়ার ব্যবহার এবং চরিত্র উপস্থাপনার ধরন দেখে দর্শকদের একাংশ বলছে, আগের কোনো ধারণা থেকে প্রভাবিত না হয়ে বরং সরাসরি অনুকরণ করা হয়েছে। বিশেষ করে কিছু ফ্রেমের অ্যানিমেশন স্টাইল ও পরিবেশ তৈরি করার কৌশল নিয়ে সবচেয়ে বেশি বিতর্ক তৈরি হয়েছে।অন্যদিকে, অনেক ভক্ত আবার বিষয়টি ভিন্নভাবে দেখছেন। তাদের মতে, এটি আধুনিক সৃজনশীলতার অংশ এবং অনুপ্রেরণা নেওয়া মানেই কপি নয়। তারা বলছেন, মিউজিক ভিডিওতে নতুন ভিজ্যুয়াল এক্সপেরিমেন্ট করা এখন সাধারণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।এখন পর্যন্ত নোরা ফাতেহি বা হানি সিংয়ের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।তবে বিতর্কের মধ্যেই গানটি অনলাইনে দ্রুত জনপ্রিয়তা পাচ্ছে এবং বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ভিউও বাড়ছে।


তামিলনাড়ুর ৭১৭টি সরকারি মদের দোকান বন্ধের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের

তামিলনাড়ুর ৭১৭টি সরকারি মদের দোকান বন্ধের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের

তামিলনাড়ুর ৭১৭টি সরকারি মদের দোকান বন্ধের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী বিজয়েরতামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী জোসেফ বিজয় রাজ্যজুড়ে মন্দির, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বাসস্ট্যান্ডের ৫০০ মিটারের মধ্যে অবস্থিত ৭১৭টি সরকারি মদের দোকান বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন। রাজ্যের টাসম্যাক তামিলনাড়ু স্টেট মার্কেটিং কর্পোরেশনের পরিচালিত এসব দোকান দুই সপ্তাহের মধ্যে বন্ধ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।সরকারি তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যে মোট ৪,৭৬৫টি টাসম্যাক দোকান চালু রয়েছে। এর মধ্যে ২৭৬টি মন্দিরের কাছে, ১৮৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাশে এবং ২৫৫টি বাসস্ট্যান্ডের কাছাকাছি অবস্থিত।মুখ্যমন্ত্রী বিজয়, যিনি সদ্য অনুষ্ঠিত বিধানসভা নির্বাচনে তার দল তামিলগা ভেট্রি কাজাগাম-এর বড় জয়ের পর দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন, এই সিদ্ধান্তকে জনস্বার্থে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন। তিনি মাদকাসক্তিমুক্ত সমাজ গঠনের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই এই উদ্যোগ নিয়েছেন বলে জানা গেছে।তবে রাজ্যের বড় আয়ের একটি অংশ আসে টাসম্যাকের মদ বিক্রি থেকে। গত অর্থবছরে এ খাত থেকে রাজস্ব আয় ৪৮ হাজার কোটি টাকারও বেশি ছিল।সরকারের এই সিদ্ধান্ত জনমতেও মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে। তবে বেশিরভাগ মহল এটিকে নৈতিক ও সামাজিক দিক থেকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে।এর আগে টাসম্যাককে ঘিরে অর্থপাচারসহ নানা অভিযোগে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের নজরদারি ও অভিযানও চালানো হয়েছিল।