প্রিন্ট এর তারিখ : ১৪ মে ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
দক্ষিণ এশিয়ায় বিস্তারে নতুন কৌশলে অ্যাপল, নেতৃত্বে আসছে বড় পরিবর্তন
অনলাইন ডেস্ক ||
অ্যাপল নতুন কৌশলে এগোচ্ছে, লক্ষ্য দক্ষিণ এশিয়ার দ্রুত বাড়তে থাকা প্রযুক্তি বাজারে আরও শক্ত অবস্থান তৈরি করা। আইফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি মনে করছে, এই অঞ্চলে মধ্যবিত্ত শ্রেণির বিস্তার ভবিষ্যতের বড় প্রবৃদ্ধির সুযোগ তৈরি করবে।সংস্থাটির বিদায়ী প্রধান নির্বাহী টিম কুকের মতে, ভারতসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো এখন বৈশ্বিক স্মার্টফোন ও প্রযুক্তি বাজারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বিশেষ করে ভারতের মতো দেশে স্মার্টফোনের ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে এবং এটি ইতিমধ্যেই বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাজারে পরিণত হয়েছে। পাশাপাশি পিসি বাজারেও দেশটির অবস্থান শীর্ষ তিনে।তবে এই বিশাল বাজারের তুলনায় অ্যাপলের অংশ এখনো তুলনামূলকভাবে কম। কুক মনে করেন, ভবিষ্যতে এই অঞ্চলে কোম্পানির প্রবৃদ্ধির অনেক সুযোগ রয়েছে। তার ভাষায়, বৈশ্বিকভাবে গ্রাহক সংখ্যা বাড়লেও বাজার শেয়ার এখনো সীমিত, তাই সম্প্রসারণের সুযোগ অনেক বড়।বর্তমানে অ্যাপলের আইফোন, আইপ্যাড ও ম্যাক ব্যবহার করে নতুন অনেক গ্রাহক কোম্পানির সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন। অনেক ব্যবহারকারী প্রথমবার অ্যাপল ডিভাইস ব্যবহার করে ইতিবাচক অভিজ্ঞতার কথা জানাচ্ছেন, যা ব্র্যান্ডের ভিত্তি আরও শক্ত করছে।ভারতে ইতোমধ্যে অ্যাপল ছয়টি রিটেইল স্টোর চালু করেছে। পাশাপাশি কর্পোরেট পর্যায়েও কোম্পানির উপস্থিতি বাড়ছে। উদাহরণ হিসেবে সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান ফ্রেশওয়ার্কস হাজার হাজার ম্যাকবুক ব্যবহার করছে, যা অ্যাপলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।প্রতিষ্ঠানটির নেতৃত্ব কাঠামোতেও পরিবর্তন আসছে। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে টিম কুক প্রধান নির্বাহীর পদ থেকে সরে গিয়ে এক্সিকিউটিভ চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নেবেন। তার স্থলাভিষিক্ত হবেন জন টার্নাস, যিনি বর্তমানে হার্ডওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে কাজ করছেন।অন্যদিকে সরবরাহ শৃঙ্খলে কিছু চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে অ্যাপল। সাম্প্রতিক সময়ে উন্নত চিপ উৎপাদনের ঘাটতির কারণে আইফোন ও ম্যাকের চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ কিছুটা কম হয়েছে। ভবিষ্যতেও ম্যাকের ক্ষেত্রে এই চাপ বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।এছাড়া মেমোরি কম্পোনেন্টের দাম বৃদ্ধি কোম্পানির জন্য আরেকটি উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত অ্যাপল বাড়তি ব্যয়ের প্রভাব আংশিকভাবে সামলাতে সক্ষম হয়েছে। সাম্প্রতিক এক প্রান্তিকে কোম্পানির রাজস্ব উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে আগের বছরের তুলনায় ভালো অবস্থানে পৌঁছেছে।
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত পর্যন্ত নিউজ